আমরা শুধু একটি গেমিং সাইট নই — আমরা বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের বিনোদন ও উত্তেজনার সঙ্গী। joya9-এর পেছনে আছে একটি নিবেদিতপ্রাণ দল, সুস্পষ্ট মূল্যবোধ এবং খেলোয়াড়দের প্রতি গভীর দায়িত্ববোধ।
"বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।"
Joya9-এর প্রতিটি পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে এই তিনটি স্তম্ভ
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া — সহজ পেমেন্ট, নিরাপদ পরিবেশ ও বাংলায় সাপোর্টের মাধ্যমে। joya9 বিশ্বাস করে যে বিনোদনের অধিকার সবার আছে।
২০২৮ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া। খেলোয়াড়দের বিশ্বাস ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে joya9 সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিটি খেলোয়াড়ের সাথে সততার সম্পর্ক রাখা। স্বচ্ছ নিয়ম, ন্যায্য গেম, দ্রুত পেমেন্ট — এই তিনটি বিষয়ে joya9 কখনো আপোষ করে না।
আমাদের ছয়টি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যা অন্যদের থেকে আলাদা করে
bKash, Nagad, Rocket দিয়ে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ডিপোজিট এবং ১৫ মিনিটের মধ্যে উইথড্রয়াল। কোনো লুকানো চার্জ নেই।
Evolution, Pragmatic Play, Playtech-এর লাইভ ক্যাসিনো থেকে স্লট, ফিশিং, স্পোর্টস বেটিং — সব এক জায়গায়।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ ও AI-ভিত্তিক জালিয়াতি সনাক্তকরণ সিস্টেম দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত।
রাত ৩টায়ও সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলুন আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে। লাইভ চ্যাট ও ফোনে সব সময় পাশে আছি।
নতুন সদস্যদের ১০০% ওয়েলকাম বোনাস, দৈনিক ক্যাশব্যাক ও VIP প্রোগ্রামে বিশেষ পুরস্কার — সব মিলিয়ে অতিরিক্ত সুবিধা।
Android ও iOS-এ joya9 অ্যাপ অসাধারণ দ্রুত। ৩G সংযোগেও লাইভ গেম স্মুথলি চলে। যেকোনো জায়গা থেকে খেলুন।
২০২০ থেকে আজ পর্যন্ত joya9-এর বিকাশের ধাপগুলো
একটা ছোট্ট স্বপ্ন থেকে শুরু হয়েছিল joya9-এর পথচলা। বাংলাদেশের মানুষ যেন ঘরে বসেই আন্তর্জাতিক মানের গেমিং উপভোগ করতে পারেন — এই লক্ষ্যে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু হয়।
দক্ষিণ এশিয়া গেমিং অ্যাওয়ার্ডস ২০২২
বাংলাদেশ ডিজিটাল গেমিং সার্ভে ২০২৩
আন্তর্জাতিক সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ নিবন্ধন সংখ্যা
একটি ছোট টিম নিয়ে joya9-এর যাত্রা শুরু। প্রথমে মাত্র ৫০০ গেম ও সীমিত পেমেন্ট পদ্ধতি ছিল। কিন্তু লক্ষ্য ছিল বড় — বাংলাদেশের সেরা প্ল্যাটফর্ম হওয়া।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা যুক্ত হলো। সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়াল। মোবাইল অ্যাপের প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হলো।
Evolution Gaming ও Pragmatic Play-এর সাথে চুক্তি। লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ চালু হলো। দক্ষিণ এশিয়া গেমিং অ্যাওয়ার্ডসে 'সেরা নতুন প্ল্যাটফর্ম' স্বীকৃতি।
ক্রিকেট ও ফুটবলে লাইভ ইন-প্লে বেটিং চালু। VIP প্রোগ্রামে ৪টি স্তর যুক্ত হলো। সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ছাড়াল।
৫,০০০+ গেম, ১২+ পেমেন্ট পদ্ধতি, ISO নিরাপত্তা সার্টিফিকেশন। joya9 এখন বাংলাদেশের শীর্ষ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
এই নীতিগুলোই joya9-কে প্রতিদিন পরিচালিত করে
প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা আমাদের প্রথম দায়িত্ব। বোনাস দেওয়া হলে সেটা পাওয়া যায়, উইথড্রয়াল চাইলে সেটা আসে — কোনো আপোষ নেই।
সব গেমে RNG (Random Number Generator) ব্যবহার করা হয় যা আন্তর্জাতিকভাবে অডিটেড। কোনো গেম ম্যানিপুলেশন করা হয় না।
আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সর্বোচ্চ সুরক্ষায় থাকে। কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে তথ্য শেয়ার হয় না।
joya9 দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। আমরা খেলোয়াড়দের সীমা নির্ধারণে সাহায্য করি এবং আসক্তি প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখি।
Joya9-এর পেছনে থাকা অভিজ্ঞ পেশাদারদের সাথে পরিচিত হন
১৫ বছরের ফিনটেক ও গেমিং অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ।
সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। joya9-এর সম্পূর্ণ প্রযুক্তি কাঠামো তার তত্ত্বাবধানে নির্মিত।
আন্তর্জাতিক গেমিং প্রদানকারীদের সাথে সম্পর্ক রক্ষণ ও নতুন গেম নির্বাচনে দায়িত্বশীল।
২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট টিমের নেতৃত্ব দেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে প্রতিদিন কাজ করেন।
২০২০ সালের একটি বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যার কথা ভাবুন। ঢাকার একটি ছোট অফিসে কয়েকজন মানুষ বসে একটা সহজ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন — "বাংলাদেশের মানুষ কেন আন্তর্জাতিক মানের অনলাইন গেমিং উপভোগ করতে পারবে না?" সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই জন্ম নিল joya9।
শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমকে আন্তর্জাতিক গেমিং প্ল্যাটফর্মের সাথে সংযুক্ত করা, বাংলায় সাপোর্ট নিশ্চিত করা, স্থানীয় নিয়মকানুন মেনে চলা — সব কিছু একসাথে সামলানো ছিল বিশাল চ্যালেঞ্জ। কিন্তু টিমের মনোবল ছিল অটুট।
joya9-এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তৈরি। বিদেশি প্ল্যাটফর্মে পেমেন্ট করতে হলে ক্রেডিট কার্ড বা আন্তর্জাতিক ট্রান্সফার দরকার — যা বেশিরভাগ বাংলাদেশির কাছে সহজলভ্য নয়। joya9 সেই সমস্যা সমাধান করেছে bKash, Nagad ও Rocket-কে প্ল্যাটফর্মের কেন্দ্রে রেখে।
আজ বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় joya9-এর সদস্যরা আছেন। ঢাকার একজন IT পেশাদার থেকে শুরু করে সিলেটের একজন চা বাগান শ্রমিক — সবাই joya9-এ সমান সুযোগ পান। এটাই joya9-এর সবচেয়ে বড় অর্জন।
joya9 বিশ্বাস করে যে গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। তাই আমরা প্রতিটি সদস্যকে ডিপোজিট লিমিট নির্ধারণের সুযোগ দিই, সেশন টাইম ট্র্যাক করি এবং প্রয়োজনে সাময়িক বিরতির ব্যবস্থা করি। আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং পেজে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আছে।
আমরা কখনো আপনার পাসওয়ার্ড বা PIN জানতে চাইব না। কোনো কর্মী যদি এটা চায়, সাথে সাথে আমাদের জানান। আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
joya9-এ Evolution Gaming-এর লাইভ ক্যাসিনো মানে আপনি একজন আসল ডিলারের সাথে সত্যিকারের বাকারাত বা রুলেট খেলছেন — ঠিক যেন ম্যাকাওয়ের কোনো ক্যাসিনোতে আছেন। কিন্তু পার্থক্য হলো, আপনি বাড়িতে বসে বাংলায় সাপোর্ট পাচ্ছেন এবং Nagad দিয়ে জেতা টাকা তুলছেন।
এটাই joya9-এর যাদু — আন্তর্জাতিক মান এবং স্থানীয় সুবিধা একসাথে। আমরা বিশ্বের সেরা গেমিং প্রযুক্তি এনেছি, কিন্তু সেটাকে বাংলাদেশের মানুষের জন্য উপযুক্ত করে উপস্থাপন করেছি।
joya9-এ যোগ দেওয়া মানে শুধু একটি গেমিং অ্যাকাউন্ট খোলা নয়। এটা একটি সম্প্রদায়ের অংশ হওয়া — যেখানে প্রতিদিন হাজারো বাংলাদেশি মানুষ বিনোদন খুঁজে পাচ্ছেন, জিতছেন এবং নিরাপদ বোধ করছেন। আমরা চাই আপনিও এই পরিবারের অংশ হন।
Joya9 সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর
৫ লাখ+ বাংলাদেশি সদস্যের সাথে যোগ দিন। প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান — আজই শুরু করুন।